স্টাফ রিপোর্টার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,নিউজ চ্যানেল বিডি
ঢাকা–১১ আসনে নির্বাচনী বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড্ডা, ভাটারা, ডেমরা ও আশপাশের এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন অপারেশন পরিচালনা করতেন। তিনি স্মরণ করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় তিনিও কয়েকদিন এসব এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন এবং এই এলাকা তাকে আশ্রয় দিয়েছে।
তিনি বলেন, তার জীবনের ২৮ বছর ঢাকা–১১ এলাকার মানুষের সঙ্গে কেটেছে। এখন তিনি সেই মানুষের প্রতি নিজের ঋণ শোধ করতে চান। নির্বাচনে সুযোগ পেলে জীবনের বাকি সময় জনগণের কল্যাণে কাজ করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।
এ সময় তিনি দাবি করেন, এই অঞ্চলের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ার পেছনে মূল কারণ রাজনৈতিক প্রভাব ও ভূমিদখল। তার অভিযোগ, গত ৩০ বছরে খাস জমি, জলাশয় ও সাধারণ মানুষের জমি দখল করে ভরাট করা হয়েছে। এতে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, অতীতে প্রধান দুই দলের স্থানীয় নেতারা রাজনৈতিকভাবে বিরোধিতা করলেও ব্যবসায়িক স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থেকে ভূমিদখলে জড়িত ছিলেন। বিদেশে অবস্থান করেও কেউ কেউ রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে ভূমিদখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব মানুষ জমি হারিয়েছেন, তাদের জমি ফিরিয়ে দেওয়া বা ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার এবং সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তার মতে, এই নির্বাচন সফল হলে দখল ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের পথ সুগম হবে।





