স্টাফ রিপোর্টার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
সিইসি বলেছেন, জামাতের একজন লিডার পাশে একজন বিএনপির লিডার পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসি মুখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন। এটি গণতন্ত্রের প্রকৃত সৌন্দর্য এবং আজকের বাংলাদেশ এই গণতন্ত্রের ট্রেনে চড়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে ফেস্টিভ মোডে পরিচালনা করার জন্য সরকার সারা দেশের মানুষকে উৎসবের আমেজে ভোট প্রদানের সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিয়েছে। গ্রামে, গঞ্জে, বাসে, লঞ্চে মানুষ ভোট দিতে গিয়ে ঈদের দিনের মতো আনন্দ উপভোগ করছে।
সিইসি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং বিনিদ্র রাত কাটিয়েছেন যাতে জনগণ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন পায়। তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও চোখকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছেন, কারণ তারা সরাসরি গ্রামগঞ্জে উপস্থিত হয়ে তথ্য পৌঁছে দিচ্ছেন।
তিনি জানান, সারাদেশে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে। কিছু জায়গায় সামান্য গোলমাল হলেও তা ইমিডিয়েটলি সমাধান করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে জামাত ও বিএনপির লিডারদের হাসি মুখে দেখা এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে স্বচ্ছ পরিবেশে কথা বলা এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।
সিইসি আরও জানান, ২০২৬ সালের নির্বাচন সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক নির্বাচন হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিদেশী অবজার্ভার এবং চিফ ইলেকশন কমিশনাররা বাংলাদেশে এরেঞ্জমেন্ট দেখে অত্যন্ত আনন্দিত। প্রায় ১৭ লক্ষ লোক নির্বাচনের কাজ করছে, যার মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পুল কালেক্টর এবং শিক্ষাগত ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রশিক্ষিত জনবল।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে যে কোনো চ্যালেঞ্জ আসুক না কেন, জনগণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় তা মোকাবেলা করা হবে। বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, এবং এই ট্রেন ইনশাআল্লাহ গন্তব্যে পৌঁছাবে।





