স্টাফ রিপোর্টার, ১৭ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কে শপথ নেবেন আর কে নেবেন না, সেটি একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। তবে দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সংসদ গঠন হওয়া দেশের জন্য বড় আনন্দের বিষয়।
তিনি বলেন, বহু বছর পর বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন। জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন এবং একটি নির্বাচিত সংসদ গঠিত হয়েছে, যা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে এবং জবাবদিহির মধ্যে থাকবে।
আমির খসরু বলেন, এই আনন্দ কেবল রাজনৈতিক নয়, এটি দেশের মানুষের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমরা গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছি, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে পাচ্ছি। জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য যে সংগ্রাম হয়েছে, আমরা মনে করি দেশ সেদিকেই এগোচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের মূল কথা হলো মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবে, চলাফেরা করতে পারবে, প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিকে জবাবদিহির আওতায় আনতে পারবে। আজ সেই অনুভূতিই সবার মধ্যে কাজ করছে।
সংসদ কার্যকর করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদকে কার্যকর করতে হলে সব সংসদ সদস্যের সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকার ও বিরোধী দল নির্বিশেষে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, যে কোনো পরিবর্তন সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই করতে হবে। বর্তমান সংবিধানে যা নেই, তা এই মুহূর্তে করা সম্ভব নয়। সংসদ সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই চলবে।
তিনি বলেন, আমরা সবসময় সংবিধানের কথাই বলি। তাই সাংবিধানিকভাবেই সংসদ পরিচালিত হবে। নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের প্রতি সম্মান জানাতে হলে সংসদে শপথ নেওয়া এবং দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন।





