স্টাফ রিপোর্টার | ৪ জুন ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
দেশের নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই চিঠি, পার্সেল এবং ডিজিটাল বাণিজ্য পণ্যের অবস্থান অনলাইনে ট্র্যাক করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে ডাক অধিদপ্তর চালু করেছে ডোমেস্টিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যার (ডিএমএস)। একই সঙ্গে ডাকসেবার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সারাদেশে ১৪টি নতুন মেইল প্রসেসিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ডাকসেবাকে আধুনিক করা, লজিস্টিক সুবিধা শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের মাধ্যমে নাগরিকদের দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা।
তিনি জানান, ডাক অধিদপ্তরের ‘মেইল প্রসেসিং অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ১৪টি মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে চিলিং চেম্বারের সুবিধাও রয়েছে, যা ডাকসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্পের আওতায় ১ হাজারটি থার্মাল বক্সও সংগ্রহ করা হয়েছে। নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এমন পণ্য পরিবহনে এসব বক্স ব্যবহার করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
ডিএমএস সফটওয়্যার চালুর ফলে গ্রাহকরা এখন অনলাইনে তাদের চিঠি, পার্সেল ও ই-কমার্স পণ্যের অবস্থান জানতে পারবেন। এতে ডাকসেবার গতি, স্বচ্ছতা এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডাকসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ডিএমএস প্ল্যাটফর্মের আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘মেইল প্রসেসিং অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের টেকসই সহায়তা’ নামে নতুন একটি উন্নয়ন প্রকল্পও নেওয়া হয়েছে।
এদিকে দেশব্যাপী ডাকঘর সংস্কার ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। ‘বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের জরাজীর্ণ ডাকঘর নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়, দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় ২৭০টি ডাকঘরের নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও মেরামত কাজ চলছে।
এ ছাড়া ‘ডাক অধিদপ্তরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় আরও ৩৯টি নতুন ডাকঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
ডাক বিভাগের সব কার্যক্রম ডিজিটাল করার লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপও প্রণয়ন করা হয়েছে। ‘বাংলাদেশ ডাক বিভাগের জন্য স্বয়ংক্রিয় মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা’ প্রকল্পের ভিত্তিতে নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি ‘নাগরিক পর্যায়ে বিদ্যমান ডাকসেবার স্মার্ট সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যতা’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে ডাকসেবার আধুনিকায়ন ও ডিজিটালাইজেশনের কাজ অব্যাহত রয়েছে।




