স্টাফ রিপোর্টার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
জনগণের প্রত্যাশা ও রায়ের ভিত্তিতেই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, জনগণ গ্রুপ মেজরিটি দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়েছে। সেই জায়গা থেকে সরকার প্রধান ইতোমধ্যে তার মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন।
তিনি বলেন, এই মন্ত্রিসভার সামনে যেমন বড় দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা সরকারের অঙ্গীকার। প্রায় চার বছর আগে ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় গুণগত পরিবর্তন এবং জনবান্ধব শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করাই লক্ষ্য।
শেখ রবিউল আলম বলেন, মন্ত্রিসভায় তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে আস্থা রেখেছে, সেই আস্থার মর্যাদা রাখতে সরকার কাজ করবে। ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই, তবে কিছুটা সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তার দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরগুলোতে যদি কোনো জরাজীর্ণতা থেকে থাকে, তা সংস্কার করে জনকল্যাণে কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
দুর্নীতির বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনোভাবেই দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। সরকার প্রধানের অঙ্গীকার এবং মন্ত্রিসভার অবস্থান পরিষ্কার। যেখানে যেভাবে দুর্নীতি আছে, তা পর্যায়ক্রমে চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করা হবে। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই লক্ষ্য।
তিনি বলেন, দেশের ওপর বিপুল ঋণের বোঝা রয়েছে। বড় প্রকল্পগুলো চালু রাখা বা পুনর্বিবেচনার বিষয়ে ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যেসব প্রকল্পে ব্যয় বেশি কিন্তু জনগণের সুফল কম, সেগুলো পর্যালোচনা করা হবে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যান্য মন্ত্রণালয়গুলোকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা হবে। জনগণ জানতে পারবে তাদের জন্য সরকার কী কাজ করছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, নতুন পার্লামেন্টে জবাবদিহিতা আরও বাড়বে। সরকারি দলের সংসদ সদস্যরাও প্রয়োজনে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারবেন। এতে সংসদের কার্যকারিতা বাড়বে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।





