হাওড় ও সিলেট অঞ্চলে অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন, দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স: এ্যানি

১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক প্রটেকশন দৃশ্যমান করার পরিকল্পনা

স্টাফ রিপোর্টার | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি

হাওড় ও সিলেট অঞ্চলের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, একদিকে হাওড় অঞ্চলের কয়েকটি প্রকল্প পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে সমন্বয় করা হচ্ছে, অন্যদিকে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আরও কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, সীমিত পরিসরে কাজ করলে সামগ্রিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। বিশেষ করে ব্যাংক প্রটেকশন এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকের আগেই আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা আগে নিয়মিত হতো না। এসব বৈঠকের মাধ্যমে জনস্বার্থ ও জনদাবিকে গুরুত্ব দিয়ে জরুরি করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ্যানি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বিষয়টি ক্যাবিনেট বৈঠকে আলোচনা করেছেন। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিতে খাল খনন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে কাজগুলো দৃশ্যমান হয় এবং জনগণ সরাসরি উপকার পায়।

সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও বর্ষা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যত্রতত্র প্রকল্প গ্রহণ না করে সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সরকারের উদ্যোগ জনস্বার্থকেন্দ্রিক এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, অতীতে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার ও দুর্নীতির কারণে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। জনগণের প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো সুরক্ষিতভাবে সম্পন্ন করা হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত রাখা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীসহ এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি পাবে। জনগণ দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার সুফল সরাসরি উপলব্ধি করতে পারবে।