স্টাফ রিপোর্টার, ০৩ জুন ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।
মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, তিনি জনগণের কাছে মন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন সহযোদ্ধা ও রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবেই থাকতে চান। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে পদ-পদবির চেয়ে মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বাসকে তিনি অধিক গুরুত্ব দেন বলেও মন্তব্য করেন।
বুধবার (৩ জুন) নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর নান্দিয়াপাড়ায় অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, “আমি আপনাদের কাছে মন্ত্রী হিসেবে থাকতে চাই না, কাছের সহযোদ্ধা ও রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে থাকতে চাই। জনগণের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য একসঙ্গে কাজ করতে চাই।”
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মুক্তিযোদ্ধারা কোনো দলের নয়, তারা জাতির সম্পদ। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। আমি নিজেও একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, প্রকৃত নেতৃত্বের শক্তি কোনো পদ বা পদবিতে নয়, বরং জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসার মধ্যেই নিহিত। একজন জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব হলো মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করা।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে এবং এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে বা নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে।
সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে স্বাগত জানান এবং তাঁর নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিলের সভাপতি , টি এম মোশারফ হোসেন, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার, সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হেসেন এবং উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।




