বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দলের ঐতিহাসিক অর্জন: এশিয়ান কাপের মূল পর্বে স্থান

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দলের ঐতিহাসিক অর্জন: এশিয়ান কাপের মূল পর্বে স্থান। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন! বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল…

ছবি সংগ্রহীত
নারী ফুটবল দল

Posted by:

on


বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দলের ঐতিহাসিক অর্জন: এশিয়ান কাপের মূল পর্বে স্থান।

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন! বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দল দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-১ গোলে পরাজিত হওয়া সত্ত্বেও এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

কিভাবে এই ঘটনা ঘটলো?

বাংলাদেশ ‘এইচ’ গ্রুপে ছিল, যেখানে দক্ষিণ কোরিয়া, পূর্ব তিমুর এবং স্বাগতিক লাওসও ছিল। বাংলাদেশ দুর্দান্ত সূচনা করেছিল; প্রথম দুটি ম্যাচে লাওসকে ৩-১ গোলে এবং পূর্ব তিমুরকে ৮-০ গোলে পরাজিত করেছে।

শেষ ম্যাচে, দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ড্র করলেই তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সরাসরি মূল পর্বে যাওয়ার নিশ্চয়তা পেতো। কিন্তু শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-১ গোলে বড় ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ভর করছিল অন্য গ্রুপের রানার্স-আপ দলের ফলাফলের উপর।

সৌভাগ্যক্রমে, অন্য একটি ম্যাচে চীন লেবাননকে ৮-০ গোলে হারালে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হয়। সব গ্রুপের রানার্স-আপ দলের মধ্যে সেরা তিন দলের একটি হিসেবে বাংলাদেশ মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

ঐতিহাসিক অর্জন

বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য এটি এক বড় এবং ঐতিহাসিক সাফল্য। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী দল এশিয়ান কাপের মূল পর্বে অংশ নিতে যাচ্ছে।

এর আগে, গত জুলাই মাসে বাংলাদেশের নারী জাতীয় ফুটবল দলও প্রথমবারের মতো নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করেছিল। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে দেশের দুটি নারী ফুটবল দল এশিয়ার মঞ্চে কোয়ালিফাই করল, যা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য একটি গর্বের বিষয়।

এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার ও কোচ পিটার বাটলারের নেতৃত্ব।

২০২৬ সালের ১ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে মোট ১২টি দল অংশ নেবে, যেখানে বাংলাদেশের দলও অন্যতম।