✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮
✮

রোহিঙ্গা সংকট আন্তর্জাতিক মনোযোগে রাখা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান শামা ওবায়েদের

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ নভেম্বর ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

ঢাকা: রোহিঙ্গা সংকটকে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রোহিঙ্গা ইস্যুর গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের একটি টেকসই দৃষ্টিভঙ্গি: জাতীয় কৌশল ও বাহ্যিক অবদানের রূপরেখা’ শীর্ষক এ সংলাপের আয়োজন করে নীতি গবেষণা কেন্দ্র।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে প্রাসঙ্গিক রাখতে হবে, আর এটিকে প্রাসঙ্গিক রাখাটাই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য একটি নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। তাই এ সংকট সমাধানে অর্থপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা অত্যন্ত জরুরি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমারের ভেতরে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের সঙ্গে ফলপ্রসূভাবে সম্পৃক্ত করতে বাংলাদেশকে চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সব সময় রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে সোচ্চার রয়েছে। তবে তাদের প্রত্যাবাসন অবশ্যই নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে নিশ্চিত করতে হবে। রোহিঙ্গাদের ন্যূনতম মর্যাদার বিষয়টিও নিশ্চিত করা জরুরি।

দীর্ঘস্থায়ী এ সংকট মোকাবিলায় জাতীয় রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সংলাপে জানানো হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। ক্রমবর্ধমান এ জনগোষ্ঠীর কারণে স্থানীয় জনগণ ও দেশের অর্থনীতির ওপর দিন দিন চাপ বাড়ছে।

সংলাপের উদ্দেশ্য ছিল নীতিনির্ধারক, রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, গবেষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক এবং রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে সংকট সমাধানে টেকসই ও সমন্বিত পদ্ধতি নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা ও সম্পৃক্ততা বাড়ানো।

আলোচনায় একটি জাতীয় কৌশলগত রূপরেখা প্রণয়ন, রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলা, কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক ও বহিরাগত অংশীদারদের অবদান নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া সংকটের টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধানের জন্য ধারাবাহিক নীতিগত সম্পৃক্ততা এবং রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের ওপরও জোর দেওয়া হয়।