রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, যেকোনো নির্বাচনকে সত্যিই অবাধ ও সুষ্ঠু করতে হলে, যাদের সততা প্রশ্নবিদ্ধ, বিশেষ করে যারা নির্বাচনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন পদে আছেন, তাদের অপসারণ করতে হবে।
রিজভীর মতে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে, যাদের ৬০% সরাসরি আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন থেকে এসেছে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই শিক্ষকরা যদি পুলিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার বা ভোট পরিচালনায় নিয়োজিত হন, তাহলে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিপন্ন হতে পারে।
রিজভী বলেন, এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ছিল না এবং দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে হয়েছে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।





