অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। গুমের মতো গুরুতর অপরাধ ঠেকাতে এ আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
নতুন অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, গুমের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তি দেওয়া যাবে। এছাড়া গোপন আটক কেন্দ্র স্থাপন করাকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
খসড়ায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে—
- শাস্তি: গুমের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান।
- গোপন আটক কেন্দ্র: গোপন আটক কেন্দ্র স্থাপন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- তদন্তের ক্ষমতা: গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত করার ক্ষমতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হাতে।
- বিচার: কোনো ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা কার্যকর করার আগে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হবে।
সরকার জানিয়েছে, চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে খসড়াটি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধে এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।





