প্রাইজবন্ডের ফল জানার ঝামেলার স্থায়ী সমাধান এনেছে সরকার

বাংলাদেশে সঞ্চয়ের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম প্রাইজবন্ড। এর বিশেষ সুবিধা হলো, প্রতি তিন মাস পরপর ড্র অনুষ্ঠিত হয় এবং সেই ড্র…

বাংলাদেশে সঞ্চয়ের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম প্রাইজবন্ড। এর বিশেষ সুবিধা হলো, প্রতি তিন মাস পরপর ড্র অনুষ্ঠিত হয় এবং সেই ড্র থেকে ক্রেতারা পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ পান। তবে ব্যস্ত জীবনে অনেকের পক্ষেই নিয়মিত ফলাফল দেখা এবং নম্বর মেলানো সম্ভব হয় না। ফলে অনেক সময় পুরস্কার জিতলেও তা অজানা থেকে যায়।

এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড ড্র অনুসন্ধান সফটওয়্যার ও অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ (PBRIS) তৈরি করেছে। এখন প্রাইজবন্ডের মালিকরা সহজেই ওয়েবসাইট

কীভাবে ফল জানা যাবে

এই সফটওয়্যার বা অ্যাপে দুইভাবে ফলাফল দেখা সম্ভব—

  1. সরাসরি সার্চ বক্সে নম্বর লিখে (বাংলা বা ইংরেজিতে)। একাধিক নম্বর দিলে কমা (,) ব্যবহার করতে হবে। ধারাবাহিক নম্বরের ক্ষেত্রে শুরু ও শেষ সংখ্যার মাঝে হাইফেন (-) দিতে হবে।
  2. এক্সেল ফাইল আপলোড করে। মাইক্রোসফট এক্সেল শিটে প্রাইজবন্ডের নম্বর লিখে আপলোড করলে গত দুই বছরের সব ড্রয়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফল দেখাবে।

এছাড়া সফটওয়্যার থেকে পুরস্কার দাবির ফরম ডাউনলোড করা যাবে এবং ই-মেইল সাবস্ক্রিপশন সুবিধাও রয়েছে। সাবস্ক্রাইব করলে প্রতি ড্র (৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর) শেষে ফলাফল ই-মেইলে চলে আসবে।

কতজন পান পুরস্কার?

প্রতিটি সিরিজ থেকে সমান সংখ্যক পুরস্কার দেওয়া হয়। যেমন—

প্রথম পুরস্কার: ৬ লাখ টাকা, প্রতি সিরিজে ১ জন (৮২ জন)।

দ্বিতীয় পুরস্কার: ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ৮২ জন।

তৃতীয় পুরস্কার: ১ লাখ টাকা, প্রতি সিরিজে ২ জন, মোট ১৬৪ জন।

চতুর্থ পুরস্কার: ৫০ হাজার টাকা, প্রতি সিরিজে ২ জন, মোট ১৬৪ জন।

পঞ্চম পুরস্কার: ১০ হাজার টাকা, প্রতি সিরিজে ৪০ জন, মোট ৩,২৮০ জন।

সর্বশেষ ড্রয়ে মোট ৩,৭৭২টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

কর প্রযোজ্য

প্রাইজবন্ড পুরস্কারের অর্থের ওপর আয়কর দিতে হয়। আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, পুরস্কারের অর্থ থেকে উৎসে ২০ শতাংশ হারে কর কেটে রাখা হয়।

প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অঙ্ক মোটেও কম নয়। তাই বাড়ির ড্রয়ারে ফেলে রাখা বন্ডগুলো ভাগ্য বদলে দিতে পারে। আজই অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আপনার প্রাইজবন্ডের নম্বর মিলিয়ে দেখুন।