সাবেক ফুটবলার ও বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক অভিযোগ করেছেন যে, ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন।
তিনি বলেন, ক্রীড়া উপদেষ্টা বিভিন্ন কাউন্সিলরদের ডেকে ‘থ্রেট’ দিয়েছেন এবং যেকোনো মূল্যে বুলবুল ভাইকে প্রেসিডেন্ট করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ধরনের সরকারি হস্তক্ষেপকে তিনি ‘স্বেচ্ছাচারিতা’ হিসেবে আখ্যা দেন।
আমিনুল হক প্রশ্ন তোলেন, চারটি বিতর্কিত ক্লাব থেকে বোর্ডের ডিরেক্টর আসার বিষয়টি নিয়ে। পাশাপাশি তিনি জানান, বুলবুল ভাইয়ের একটি চিঠিকে চ্যালেঞ্জ করে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যেখানে হাইকোর্ট পূর্ণ বেঞ্চে শুনানির রায় দিয়েছেন।
তার মতে, যদি হাইকোর্ট ওই চিঠিকে অবৈধ ঘোষণা করে, তবে বর্তমান নির্বাচন বাতিল হয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাররা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিলর নির্বাচন করলেও, পরে বুলবুল ভাইয়ের নির্দেশে অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হয়। আমিনুল হকের অভিযোগ, এই অ্যাডহক কমিটিগুলো রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা ও এনএসসির ‘স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের’ ফসল।
বিএনপির এই নেতা মনে করেন, এই ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন এবং সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য গভীর হতাশার কারণ। ক্লাবের বিষয়ে এনএসসির অস্থির সিদ্ধান্তগুলোকেও তিনি তীব্র সমালোচনা করেন।
এছাড়াও, আওয়ামী লীগের এক এমপি প্রার্থীকে এনএসসির মনোনয়ন দেওয়ার ঘটনাকেও তিনি একক হস্তক্ষেপের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।





