স্টাফ রিপোর্টার | নিউজ চ্যানেল বিডি
তারিখ: ১১ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব রক্ষায় সংশ্লিষ্ট অপরাধের সুষ্ঠু ও নির্মোহ বিচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিবৃতিতে বলা হয়, “ন্যায়বিচার শুধু অতীতের ঘটনাগুলোর শাস্তির নিশ্চয়তা দেয় না, বরং ভবিষ্যতে যেন কেউ এমন অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি না ঘটায়, সেই নিশ্চয়তাও দেয়। আইন ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধাই হতে পারে একটি শান্তিপূর্ণ, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রের ভিত্তি।”
বিএনপি মনে করে, একটি দেশের চলা উচিত ‘ল অফ দ্য ল্যান্ড’ অনুযায়ী। কিছু ব্যক্তির দায় কোনো প্রতিষ্ঠানের উপর চাপানো উচিত নয়, আবার তাদের অপরাধের কারণে প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করাও অনুচিত।
বিবৃতিতে বলা হয়, “একজন মানুষের কাজের ভালো-মন্দের দায় একান্তই তার নিজের। গুরুতর অপরাধের শাস্তি ব্যক্তিকেন্দ্রিক হওয়াই ন্যায়বিচারের মূল ভিত্তি।”
ফ্যাসিবাদের সময় সবচেয়ে বেশি গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার দল হিসেবে বিএনপি জানিয়েছে, তারা সব ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচারের পক্ষে। এখানে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় নয়, বিবেচ্য বিষয় হলো ব্যক্তির অপরাধ ও আইনের শাসন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “কোনো ব্যক্তি বিশেষের বিচ্ছিন্ন অপরাধের সঙ্গে একটি দেশপ্রেমিক বাহিনীকে ঘিরে জনগণের আবেগ, আস্থা ও সম্মানের কোনো সম্পর্ক নেই, থাকা উচিতও নয়।”
বিএনপি মনে করে, সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যই এই দেশের গর্বিত সন্তান। অধিকাংশ সেনা সদস্য নিশ্চয়ই চান, সীমা লঙ্ঘনকারীরা বিচারের মুখোমুখি হোক, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকার আর কখনো সেনাবাহিনীর কাছে গুম-খুনের মতো অন্যায় নির্দেশ দিতে না পারে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সর্বজনীন এই আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিএনপি শতভাগ একমত।”
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন —
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী,
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।





