স্টাফ রিপোর্টার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
জাতি যখন একটি স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ দেখার অপেক্ষায়, তখন ভয়ভীতি সৃষ্টি ও অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভেদ তৈরির অপচেষ্টা জাতি আর মেনে নেবে না—এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, যারা ফ্যাসিবাদী রাজনীতিকে নতুনভাবে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে, তারা ইতোমধ্যে চিহ্নিত হয়ে গেছে। এখনই নিজেদের সংশোধন, অনুতাপ ও ক্ষমা চাওয়ার সময়।
এক বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো একটি বাংলাদেশ—যা হবে তারুণ্যনির্ভর, স্বনির্ভর এবং বিশ্বের সভ্য জাতির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সক্ষম। এই দেশে প্রতিটি মানুষের জীবন, সম্পদ ও ইজ্জতের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, বিশেষ করে মা-বোনদের সম্মান ও নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, আর কোনো মা-বোনের কান্না জাতি শুনতে চায় না। এমন একটি সমাজ গড়তে হবে, যেখানে মানুষ গর্ব করে বলতে পারবে—“আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি।” তরুণরা বলবে, “আমরা ভিক্ষুক জাতি নই, আমরা স্বনির্ভর বাংলাদেশের নাগরিক।”
নির্বাচন ও জাতীয় ঐক্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো দলকে বাদ দিয়ে নয়—সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়তে চান তারা। আল্লাহর মেহেরবানিতে ও জনগণের ভালোবাসায় নির্বাচিত হলে, সরকার গঠনে সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানানো হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘২৪’ শুধু ইতিহাসের একটি অংশ নয়, এটি জাতির কলিজার অংশ। ‘২৪’-এর অবদানকে সম্মান করলেই বাংলাদেশ ও জাতিকে সম্মান করা হবে। যার যেখানে অবদান আছে, তা স্বীকৃতি দিতে হবে। অবদান অস্বীকার করা হলে জ্ঞানী ও বীরের জন্ম বন্ধ হয়ে যাবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি দেশের বীরদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার অঙ্গীকার করেন এবং সবাইকে ঐক্য, সম্মান ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।





