বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সম্ভাব্য আগমনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ আগমন বাংলাদেশের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতারা।
সমাবেশের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এসব কথা গণমাধ্যমকে জানান।
তিনি বলেন, সমাবেশ উপলক্ষে স্টেজ নির্মাণ, মাইক ও ডেকোরেশনের কাজ যার যার দায়িত্ব অনুযায়ী চলমান রয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দল সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সবকিছু দলের একক নিয়ন্ত্রণে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, “আমাদের কর্মীরা রাউন্ড দ্য ক্লক কাজ করছে। নিরাপত্তার বিষয়টি যতটুকু নিশ্চিত করা দরকার, আমরা সেটুকু করার চেষ্টা করছি। কিন্তু পুরো জাতিই এখন এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে—এটা শুধু একটি সমাবেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়।”
সরকারের সহযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অসহযোগিতা আমরা লক্ষ্য করছি না।”
তারেক রহমানের আগমন রাজনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “অবশ্যই এর রাজনৈতিক ইমপ্যাক্ট রয়েছে। এটি এখন দেশব্যাপী আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।”
লাখো মানুষের সমাগমের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “লাখো মানুষ আনার কোনো পূর্বপরিকল্পনা আমাদের নেই। তবে মানুষের মধ্যে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, তার ফলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যাপক জনসমাগম হলে সেটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমানের আগমন ঘিরে মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবেই সমাবেশে ফুটে উঠবে।





