বাংলাদেশে নতুন ওষুধ নীতি: মূল্যনিয়ন্ত্রণ ও প্রণোদনার জন্য চার বছরের রোডম্যাপ

চার বছরের মধ্যে উৎপাদকরা ধাপে ধাপে মূল্য নির্ধারণ করতে পারবে; নতুন ওষুধের জন্য বিশেষ ক্যাটাগরি এবং বায়োলজিক্যাল ড্রাগে অতিরিক্ত প্রণোদনা থাকবে

স্টাফ রিপোর্টার |৮ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

বাংলাদেশ সরকার নতুন নীতি ঘোষণা করেছে, যা দেশের ওষুধ শিল্পকে পর্যায়ক্রমে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেবে এবং একই সঙ্গে ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করবে। চার বছরের মধ্যে উৎপাদকরা ধাপে ধাপে তাদের ওষুধের মূল্য পরিবর্তন করতে পারবে।

প্রায় ১১০০ প্রিমিয়াম ওষুধের জন্য উৎপাদকরা সরকারকে মূল্য প্রস্তাব করবেন। সরকার সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে মেডিয়ান প্রাইস নির্ধারণ করবে। যেসব ওষুধের সাতটির বেশি উৎপাদক আছে, তাদের জন্য ইন্টার্নাল রেফারেন্স প্রাইসিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। মূল্যকে ±১৫% রেঞ্জে নিয়ে আসতে হবে এবং প্রতি বছর ২৫% করে সমন্বয় করে চার বছরের মধ্যে নির্ধারিত রেঞ্জে আনা হবে।

যেসব ওষুধের সাতটির কম উৎপাদক আছে, তাদের ক্ষেত্রে ইন্টার্নাল ও এক্সটারনাল রেফারেন্স প্রাইসিং মিলিয়ে কম মূল্যের ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হবে।

নতুন আসা ওষুধগুলোর জন্য তিনটি বিশেষ ক্যাটাগরি তৈরি করা হয়েছে:

  • আউট অফ প্যাটেন্ট ড্রাগ: বাংলাদেশে নতুনভাবে আসা ওষুধ।
  • বায়োলজিক্যালস ও সিমুলেটর ড্রাগ: দ্রুত বর্ধনশীল মেডিকেল ফিল্ডের জন্য উৎসাহ প্রদান করা হবে। এই ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের উপর ১.৩৩ গুণ প্রণোদনা দেওয়া হবে।
  • আন্ডার-প্যাটেন্ট/প্যাটেন্টেড মলিকিউল: নতুন আসা প্যাটেন্টযুক্ত ওষুধের জন্য আলাদা মূল্যফর্মুলা প্রয়োগ করা হবে।

ডক্টর সাইদুর রহমান বলেন, “সরকারি এই নীতিমালা কার্যকর হলে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে ওষুধের প্রাপ্যতা, দাম এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।”

ট্যাগ: বাংলাদেশ, ওষুধ, স্বাস্থ্য খাত, মূল্যনিয়ন্ত্রণ, বায়োলজিক্যাল, প্যাটেন্টেড মলিকিউল, সরকার নীতি