রাজনীতির নামে চাঁদাবাজি বরদাস্ত করা হবে না: শেখ রবিউল আলম

ব্যবসায়ী ও নাগরিকদের ওপর চাপ প্রয়োগের

বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার, ৮ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।

ঢাকা-১০ আসনের বলেছেন, রাজনীতির নামে কোনো ব্যবসায়ী বা সাধারণ নাগরিকের ওপর চাপ প্রয়োগ এবং চাঁদাবাজি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

তিনি বলেন, “দুর্বৃত্ত লালন করে আমি রাজনীতি করি না। জনগণের সেবা করার জন্যই রাজনীতি করি। আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে জনগণের অধিকার রক্ষা ও ন্যায্য রাজনীতি নিশ্চিত করতে কাজ করব। রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্ব মানুষের সেবা করা—ভয় দেখানো নয়।”

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা -এর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক সাধারণ জনগণ। জনগণ, রাজনীতিবিদ ও সরকারের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ছাড়া জবাবদিহিমূলক সরকার এবং গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, “জনগণ মালিক, আমরা রাজনীতিবিদরা সেবক। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে জনগণের কথা না শোনার যে সংস্কৃতি—তা আমরা পরিবর্তন করতে চাই।”

এলাকার গ্যাস সংকট ও জলাবদ্ধতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আবাসিক খাতে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে সিলিন্ডার ব্যবস্থায় নেওয়ার সরকারি নীতির কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। এটি শুধু একটি এলাকার নয়, বরং জাতীয় সমস্যা।

তিনি বলেন, “নির্বাচিত সরকার যদি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে আবাসিক গ্যাস লাইনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাজেট বরাদ্দ দেয়, তাহলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। মানুষ গ্যাসের বিল দেয়, তাই গ্যাস পাওয়ার অধিকারও তাদের আছে।”

জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সীমিত সক্ষমতা ও বন্ধ হয়ে যাওয়া রেইন ওয়াটার লাইনের কারণেই বর্ষাকালে দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। সঠিক পরিকল্পনা ও নতুন পাইপলাইন স্থাপনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

রাজনীতির নামে চাঁদাবাজি ও ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ প্রয়োগের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “কোনো ব্যবসায়ী বা নাগরিকের ওপর রাজনৈতিক পরিচয়ে চাপ প্রয়োগ করা হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “-এর নেতৃত্বে -এ এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনো জায়গা নেই। আমি যদি আপনাদের প্রতিনিধি হই, তাহলে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার সুযোগ কারও থাকবে না।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনগণসহ ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।