আফরোজা আব্বাসের ব্যাখ্যা: সিদ্ধশরী বয়েজ স্কুলে ভোট বৈধ হয়নি

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো খবরের সঙ্গে বাস্তবতা মেলেনি, ভোট বাতিলের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা, কিছুদিন যাবত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিষয় বেশ নজর কেড়েছে, সেটা হলো ভোটের কিছু অনিয়ম। আমি আগে এই ব্যাপারে কথা বলিনি, কিন্তু সম্প্রতি চ্যানেল আই-এর একটি প্রোগ্রামে ইত্তেফাক-এর সাংবাদিক সালেহউদ্দিন ভাই মন্তব্য করেছেন যা কিছুটা বিভ্রান্তিকর।

তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে আমি সিদ্ধশরী বয়েজ স্কুলে গিয়েছি এবং ভোটের অবৈধতা বৈধ করা হয়েছে। আমি পরিষ্কার করতে চাই, সেই খবরটি সঠিক নয়। আমি ১২ তারিখে বিকেল ৫:৩০-৬:০০টার দিকে সিদ্ধশরী বয়েজ স্কুলে পৌঁছাই। আমাদের পোলিং এজেন্টরা বারবার জানাচ্ছিল যে সেখানে অনিয়ম হচ্ছে। দরজায় নক করার পরও দীর্ঘ সময় কেউ দরজা খুলতে দেয়নি। প্রিজাইডিং অফিসার শামসুল ইসলাম (ইসলামিক ব্যাংক) এবং বিদেশী পর্যবেক্ষকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের জানা মতে ২৫ থেকে ২৭টি ভোট বাতিল করা হয়েছে, কিন্তু সেই ভোটগুলোর বৈধকরণের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা থেকে নির্দেশনা আসলেও শামসুল ইসলাম তা মানতে রাজি হননি। পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আব্বাস এসে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে ভোটগুলো বৈধ করা হবে, কিন্তু শামসুল ইসলাম তা মানেননি এবং প্রায় অর্ধঘন্টা চেষ্টা করার পরও কোনো ভোট বৈধ হয়নি।

শেষ পর্যন্ত, ছয়টায় আমাদের পোলিং এজেন্টদের জোর করে বের করে দেওয়া হয়, লাইট বন্ধ করা হয় এবং সিগনেচার নেওয়া হয়। কোনো ভোটও বৈধ হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে প্রচার হয়েছে যে আমি যাওয়ার পর ভোট বৈধ হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল।

আমি আরও উল্লেখ করতে চাই, হাইটেল স্কুল, কমলাপুর গার্লস স্কুলসহ অন্যান্য কেন্দ্রে শতাধিক ভোট বাতিল করা হয়েছে। যদি এই ভোটগুলো বৈধ করা হতো, তাহলে ফলাফল কয়েক হাজার ভোট বেশি হয়ে যেতে পারতো।