স্টাফ রিপোর্টার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
আমরা কথা দিচ্ছি, শহীদ ও আন্দোলনের বীরদের সঙ্গে কোনো বেইমানি করা হবে না। তাদের সম্মান ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। আমাদের সামনে অনুকূল স্রোত নেই, আমরা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েই এগোচ্ছি। তবুও আমরা দমে যাব না, জাতিকে সঙ্গে নিয়ে মুক্তির লক্ষ্যেই পৌঁছাতে চাই।
জামায়াতে ইসলামী জোটের বড় দল হলেও আমরা কোনো দলীয় সরকার বা পরিবারতন্ত্র কায়েম করতে চাই না। আমরা কোনো গোষ্ঠীর বিজয় চাই না, চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। চিশতি ও তিস্তাপার থেকে যে বিজয়ের ধ্বনি উঠেছে, তা এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। মুক্তির পক্ষে গণজোয়ার শুরু হয়েছে এবং সেই শক্তি নিয়েই আমরা সামনে এগোব।
দেশের যুবসমাজ যে সাহস দেখিয়েছে, তা থামিয়ে রাখা যাবে না। আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ১৫ জুলাই, যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকজন ছাত্রী নিপীড়নের শিকার হন। সেই ঘটনার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে জীবন বাজি রেখে তরুণ-তরুণীরা রাজপথে নেমে আসে।
একজন মা তার দশ মাসের সন্তানকে নিয়ে আন্দোলনে উপস্থিত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এটাই প্রমাণ করে দেশের মানুষ স্বাধীনতা ও ন্যায়ের প্রশ্নে আপস করবে না। যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতিকে শক্তি জুগিয়েছে।
নারীদের প্রতি সহিংসতা ও হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যারা মায়েদের গায়ে হাত তোলে বা ভয় দেখায়, তারা মানবিকতার সীমা লঙ্ঘন করছে। এমন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ ভয় পাবে না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে। এই দেশ আর কোনো জমিদারির নয়, এটি হবে জনগণের বাংলাদেশ।





