অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সিএনএ টেলিভিশনকে বলেছেন যে বিচার বিভাগ এবং সংস্কার ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে পুরোনো সমস্যাগুলো ফিরে আসবে।
তিনি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা ও নির্বাচনী সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছেন। অধ্যাপক ইউনূসের মতে, একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবং দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এই দুটি বিষয় অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, এই মৌলিক পরিবর্তনগুলো ছাড়া যেকোনো নির্বাচনই অর্থহীন হবে এবং অতীতে দেখা গেছে এমন সমস্যাগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটাবে।নিউজএশিয়াকে দেওয়া অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎকারের সারমর্ম রয়েছে। এখানে তিনি তিনটি মূল বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন — বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন — এবং বলেছেন, যদি প্রথমেই নির্বাচন হয় কিন্তু বিচার ও সংস্কার না হয়, তাহলে পুরোনো সমস্যাগুলো ফিরে আসবে।
সংক্ষেপে মূল পয়েন্টগুলো এমনভাবে সাজানো যায়:
- নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কারের গুরুত্ব
২০২৩–২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের বিচারের প্রয়োজন রয়েছে।
নির্বাচনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক কাঠামো পূর্বে দুর্নীতি ও জালিয়াতিতে ভরা ছিল, তাই সংস্কার অপরিহার্য।
আগে সংস্কার ও বিচার না করে নির্বাচন হলে আগের সমস্যাগুলো ফিরে আসবে।
- পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা
সাবেক শাসনব্যবস্থাকে “ফ্যাসিবাদী” বলে আখ্যায়িত করেছেন।
শেখ হাসিনাকে ‘দানব’ বলে অভিহিত করে বলেছেন, প্রয়োজনে আরও শক্তিশালী শব্দ ব্যবহার করতেন।
- ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধে ভারত সাড়া না দিলেও, বাংলাদেশ তাকে ফেরানোর জন্য ‘লড়াইয়ে যাবে না’।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে গভীরভাবে জড়িত বলে বর্ণনা করেছেন।
চীন, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা গড়ার সম্ভাবনার কথা বলেছেন।
- লক্ষ্যপূরণের অগ্রগতি
দায়িত্ব নেওয়ার সময় যে লক্ষ্যগুলো স্থির করা হয়েছিল, সেগুলোর কাছাকাছি পৌঁছেছেন বলে দাবি করেছেন।
নির্বাচনের পর সরকারে থাকার কোনো পরিকল্পনা নেই।





