ইলেকশন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এমসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম

প্রচারণার ক্ষেত্রে দ্বৈত মানদণ্ড এবং রাজনৈতিক চাপ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে

স্টাফ রিপোর্টার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এমসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “আমরা যখন ইলেকশন কমিশনের প্রশ্ন ও নিরপেক্ষতা নিয়ে কথা বলছি এবং একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিষয়গুলো তুলে ধরছি, তখনও আমাদেরকে প্রায়ই দায়িত্বহীনভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে।”

নাহিদ ইসলাম উদাহরণ দিয়ে বলেন, “যখন তারেক রহমান বাংলাদেশে এসেছেন, তার নির্বাচনী এলাকা এবং ঢাকা শহরের বিভিন্ন অংশ পোস্টার ও ফেস টুনে ভরে গেছে। অথচ আমাদের গণভোট প্রচারণার বিলবোর্ডে কোনো দলের নাম নেই, শুধু একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে জনসাধারণকে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর জন্য আমাদেরকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি আইনগতভাবে অসম্ভব এবং এটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, “ইলেকশন কমিশন একপক্ষীয় প্রচারণার ক্ষেত্রে নীরব থাকলেও, আমাদের গণভোট প্রচারণার ক্ষেত্রে বার্তা দিচ্ছে যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি ভোটাধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতার জন্য বিপজ্জনক বার্তা।”

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “ঢাকা শহর এবং দেশের অন্যান্য অংশে নির্বাচনী প্রচারণার নিয়ম মানা হচ্ছে না। শোকসভা ও কম্বল বিতরণ নামে অন্য দলগুলো নির্বাচনী প্রচারণা করছে, কিন্তু ইলেকশন কমিশন তা দেখেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আইন শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা সকলের জন্য সমান হওয়া উচিত।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, “এই ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশের তরুণ সমাজের মধ্যে প্রশ্ন জাগাচ্ছে এবং যদি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ অব্যাহত রাখে, তাহলে জনগণ সেটি মেনে নেবে না। আমরা চাই এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু হোক, এবং রাজনৈতিক দলগুলো দায়িত্বশীল আচরণ করুক।”

নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, “সবার উচিত তাদের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখতে হবে, যাতে জনগণ ও দেশের স্বার্থে একটি নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয়।”