স্টাফ রিপোর্টার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর বহু মানুষের মধ্যকার শঙ্কা দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো নির্বাচন কমিশন, সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠানে আন্তরিক এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে চায়।”
নির্বাচন ও গণভোট একইসাথে—‘রাজনৈতিক ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা’
ফখরুল বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বড় ও উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে।
তিনি আরও বলেন যে রাজনৈতিক দলগুলো সচেতনভাবে নির্বাচনী পরিবেশকে উৎসবমুখর করে তুলবে বলে তার বিশ্বাস।
বিগত ১৫ বছরের প্রহসনের নির্বাচন থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “গত ১৫ বছর দেশে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে, গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে। এবার ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা আশা করি এই নির্বাচনে জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল একটি পার্লামেন্ট গঠন হবে।”
সংস্কার ও রাজনৈতিক সমঝোতা
তিনি জানান, গত নয় মাস ধরে রাষ্ট্রীয় সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো আলোচনা করেছে। অনেক বিষয়ে একমত হয়েছে, কিছু বিষয়ে ভিন্নমত থাকায় গণভোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
জোটে প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি নেই
জোটে আসন ভাগাভাগি বা তালিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “কোনো সমস্যা নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলাপ-আলোচনা তো থাকেই। এখনো চূড়ান্ত তালিকা দিইনি। যারা আন্দোলনে ছিলেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সব গণতান্ত্রিক শক্তি নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করবে।
নির্বাচন নিয়েই আত্মবিশ্বাসী বিএনপি
মির্জা ফখরুল বলেন, “নির্বাচন হবে কি হবে না—এ নিয়ে আমার কোনো শঙ্কা নেই। নির্বাচন হতেই হবে, এবং আজ তার ঘোষণা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, নির্বাচন হবে।”
তফসিল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।





