স্টাফ রিপোর্টার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
শিক্ষকদের সঙ্গে এক বৈঠকে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্পষ্ট অঙ্গীকারের প্রশ্নে সরব হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, কেবল দাবি তুলে ধরলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষক সমাজ কী করবে, সেটিও পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে।
বৈঠকের একপর্যায়ে একাধিক ব্যক্তি একসঙ্গে কথা বলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, একজনের বক্তব্যের মধ্যে আরেকজন কথা বলা শোভন নয়। শিক্ষক সমাজের কাছ থেকে আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণ প্রত্যাশা করেন তিনি। মাইক্রোফোন ব্যবহারে নিয়ম মানা এবং কমিটির কাঠামো অনুযায়ী সিনিয়র-জুনিয়রদের ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।
শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “আপনারা প্রতিনিয়ত দাবি করছেন। কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে আপনাদের নির্দিষ্ট অঙ্গীকার কী?” তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতি দুই পক্ষেরই থাকতে হবে। সরকার যেমন কারিকুলাম ও নীতিগত সহায়তা দেবে, তেমনি শিক্ষকদেরও বাস্তবায়নে দায়িত্ব নিতে হবে।
সভায় উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষা সংস্কার ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার আশ্বাস দেন। তবে মন্ত্রী তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানতে চান, বিশেষ করে আসন্ন পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়া এবং শ্রেণিকক্ষে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করার বিষয়ে।
তিনি আরও বলেন, “আপনারা শিক্ষক নেতা। আপনাদের আচরণ থেকেই শিক্ষার্থীরা শিক্ষা নেয়। তাই আলোচনায় প্রটোকল ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি।”
শেষে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কলঙ্কমুক্ত করতে সরকার ও শিক্ষক সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক দোষারোপ নয়, দায়িত্বশীল প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই সামনে এগোতে হবে।





