স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ মে ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে সভাপতি করে ‘নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে সরকার।
গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মোঃ হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কমিটির সভাপতি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর মহাপরিচালক, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেল (এনটিএমসি)-এর মহাপরিচালক, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর মহাপরিচালক এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)-এর অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক।
এছাড়া সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে থাকবেন ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)-এর অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ)-এর অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তা। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী আহ্বান করা হলে তিনি সভায় অংশ নেবেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবেন।
কমিটির সহায়তাকারী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
প্রজ্ঞাপনে কমিটির কার্যপরিধি সম্পর্কে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ক্ষেত্র ও পরিধি নির্ধারণ করবে কমিটি। একই সঙ্গে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং আন্তঃসংস্থা বাস্তবায়ন তদারকির কাজও করবে।
এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যপরিধি নির্ধারণ, প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান পর্যালোচনা, প্রয়োজনে সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়নে সুপারিশ করাসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রসমূহ নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থাও গ্রহণ করবে কমিটি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিটির সভা প্রয়োজন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা অন্য কোনো সংস্থার প্রধান কিংবা কর্মকর্তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কো-অপ্ট সদস্য বা সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
কমিটির সচিবালয় পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর। সংস্থাটি প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদান করবে। তবে সভাপতির নির্দেশক্রমে ভবিষ্যতে অন্য কোনো গোয়েন্দা সংস্থা বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও এ দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের স্মারকের ধারাবাহিকতায় এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।





