নির্বাচনী দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ভোটার তথ্য সংক্রান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মাহফুজ আলম

পোস্টাল ব্যালট, ভুয়া ভোট ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে সতর্ক বার্তা

স্টাফ রিপোর্টার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি

জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহফুজ আলম বলেছেন, শুধু আমাদের দল নয়, অন্যান্য দলেরও কিছু প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী কোনো প্রার্থী যদি অন্য দেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করে, তখনই সে নির্বাচনের জন্য যোগ্য হয়। এ প্রসঙ্গে যে হলফনামা বা এফিডেভিট দিতে হয় সেখানে প্রার্থীকে স্পষ্টভাবে বলতে হয় যে তিনি অন্য দেশের নাগরিক কিনা। তবে নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া নমিনেশন পেপারের সঙ্গে নাগরিকত্ব প্রমাণের কোনো নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ নেই।

মাহফুজ আলম আরও বলেন, আমরা একটি প্রতিযোগিতামূলক ও সুষ্ঠ নির্বাচন প্রত্যাশা করি। তবে পোস্টাল ব্যালটে বিদেশে বসবাসরত অনেক ভোটারকে পাঠানো ব্যালট পেপারে কিছু রাজনৈতিক দল তাদের নাম ও প্রতীক প্রথম লাইনে দেয়া হয়েছে, কিন্তু বিএনপির নাম ও প্রতীক মাঝের দিকে দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যালট পেপার ঠিকভাবে পড়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা মূলত অ্যালফাবেটিকাল ক্রম ঠিক করার দিকে নজর দিয়েছিলেন।

তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের এনআইডি কার্ড, ভোটার আইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছে। মাহফুজ আলম বলেন, এর উদ্দেশ্য পরিষ্কার যে, কিছু এলাকায় ভুয়া ভোট তৈরি করা বা ভোটের লেনদেনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও বিকাশ নম্বর নেওয়ার অর্থ কিছু আর্থিক লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে। তিনি জানান, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে এবং তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

তিনি উল্লেখ করেছেন, বড় বড় নেতারা ও দলীয় নেতারা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এসপিদের বদলি লটারি পদ্ধতিতে হয়েছে এবং বিএনপির কোনো অংশগ্রহণ ছিল না। মাহফুজ আলম বলেন, এটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার হতে পারে যাতে কেউ অভিযোগ না করতে পারে।