বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিজয় উদযাপন ও দেশের গণতান্ত্রিক একতার আহ্বান

শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনের জন্য ধন্যবাদ; দেশের পুনর্গঠন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধতার বার্তা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানিয়েছেন, দেশ গঠনে প্রত্যেকের চিন্তাভাবনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আমাদের পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে সবাই এক। জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।

তিনি বলেন, জনমনে সৃষ্ট সংশয় কাটিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এজন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। বিচারক, জনপ্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। দেশী ও বিদেশী গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে ২০২৪ সালের গণতান্ত্রিক আন্দোলন পর্যন্ত যারা শহীদ ও আহত হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান। তিনি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শতনিপীড়ন ও উস্কানির পরও নেতাকর্মীরা অটল ছিলেন, এবার দেশ গড়ার পালা। তিনি শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেন, কোন অপ্রীতিকর ঘটনা বা অন্যায় কার্যক্রম বরদাস্ত করা হবে না।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে, এবং আইন সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। নির্বাচনের মাঠে ভুল বোঝাবুঝি ঘটতে পারে, তবে তা প্রতিশোধ বা হিংসায় রূপ নেওয়া উচিত নয়।

তিনি দেশের গণতান্ত্রিক জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে। তিনি ভিন্ন দল ও মতের সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং বিশ্বের গণতান্ত্রিক শক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশী ও দেশের জনগণের প্রতি বিজয়ের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, শান্তি, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে দেশের পুনর্গঠন ও গণতান্ত্রিক উন্নয়নে সকলের সমন্বিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।