ছাত্রগণ-অভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্রে উত্তরণের সুযোগ নস্যাৎ করতে চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি ট্রানজিশনাল পিরিয়ড অতিক্রম করছে এবং ছাত্রগণ-অভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্রে উত্তরণের যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, সেই পথেই দেশ এগিয়ে চলেছে।
তিনি বলেন, একদিকে যখন গণতন্ত্রের ধারায় অগ্রসর হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে তখনই জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধ্বংস করতে বিভিন্ন ধরনের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র চলছে। এমন বাস্তবতায় প্রায় ৫৪ বছর পর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরে মির্জা আলমগীর বলেন, পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা পরিকল্পিতভাবে দেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী— বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাহিত্যিক, কবি, প্রকৌশলী ও চিকিৎসকদের হত্যা করে বাংলাদেশকে ভবিষ্যতের জন্য মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্র করেছিল।
তিনি বলেন, সেই ষড়যন্ত্র সফল হয়নি এবং মাত্র দুই দিন পরই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছিল। ইতিহাস প্রমাণ করে, চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র দিয়ে কখনো সাফল্য অর্জন করা যায় না।
বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, যারা সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে সংগ্রাম করে, তারাই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের মুখ দেখে। অতীতের মতো আজও জনগণের ঐক্যের মাধ্যমে সব ধরনের চক্রান্ত নস্যাৎ করতে হবে।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের ঐক্যের ভিত্তিতে একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রত্যাশিত বাংলাদেশ এবং তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন।





