| নিউজ চ্যানেল বিডি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বলেছেন, অতীতে এমন কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে যা কাম্য ছিল না। পরীক্ষা বন্ধ, অটোপাসসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেন সেসব হয়েছে তা নিয়ে এখন বিস্তারিত আলোচনায় না গিয়ে সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ভিশন ও মিশন অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার দিকেই এগোতে চায়।
তিনি জানান, সদ্য সমাপ্ত বৈঠকে বিভিন্ন দপ্তরকে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামনে এসএসসি পরীক্ষা থাকায় প্রশ্নপত্র বিতরণ থেকে পরীক্ষা গ্রহণ পর্যন্ত যেন কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের দলীয় সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষকতার মূল জায়গা হলো শ্রেণিকক্ষ। ক্লাস ফেলে আন্দোলন বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়া কাম্য নয়। শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া যথাযথ প্রক্রিয়ায় এলে সরকার তা বিবেচনা করবে, তবে রাজপথ দখল করে দাবি আদায়ের প্রয়োজন নেই। শিক্ষকরাই মানুষ গড়ার কারিগর উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের সময় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে তিনি একটি মৌলিক ও নীতিনিষ্ঠ মন্ত্রণালয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এখানে অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।
আগামী দিনগুলোতে শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানোন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।





