স্টাফ রিপোর্টার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
প্রথমত হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি মানুষের মৃত্যু অবশ্যই শোকের বিষয়। তবে এর পরপরই যে প্রতিক্রিয়া ও সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, সেটিকে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন পেছানো এবং দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার একটি অপকৌশল বলে বিএনপি মনে করে। এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি সরকারকে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে সরকারকে সমালোচনা করে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এমন পরিস্থিতি পূর্বানুমান করা উচিত ছিল। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা তথ্য (ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট) থাকা দরকার ছিল এবং প্রিকশনারি মেজারস হিসেবে আগেই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে কয়েকটি টার্গেট প্লেস আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে। এসবের মাধ্যমে সারাদেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার কোনো অপপরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো কার্যকলাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণকে কোনোভাবেই সংকুচিত করা সম্ভব নয়। বিএনপি গণতন্ত্রের পথে অটল থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। তবে কিছু মহলের পক্ষ থেকে ষড়যন্ত্রমূলক নীলনকশা থাকতে পারে, সেটিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। নিরাপত্তার বিষয়ে সরকার সহযোগিতা করছে এবং এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে যে কর্মসূচি নেওয়া হবে, তা জনসভা নয়। নির্ধারিতভাবে রাজধানীর ৩০০ ফিট যে রাস্তা আছে সেখানে এই আয়োজন সীমাবদ্ধ রাখা হবে। সেখানে তিনি জনগণের সামনে উপস্থিত হয়ে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাবেন। বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ ২৫ তারিখে এই বক্তব্য প্রদান করেন।





