প্রমাণ থাকলে বিচার মাথা বেঁধে নেবো, অপপ্রচারে বিচলিত নই: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণেই পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে—এনসিপি নেতা

স্টাফ রিপোর্টার ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ নিউজ চ্যানেল বিডি

আমার বিরুদ্ধে যদি কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকে, তবে অবশ্যই আমি বিচার মাথা বেঁধে নেবো—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তবে এখন পর্যন্ত যেসব অভিযোগ ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে, সেগুলোর পক্ষে কেউই কোনো শক্ত বা সলিড প্রমাণ দিতে পারেনি বলেও দাবি করেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশে আমরা দেখেছি, আওয়ামী লীগের মতো শক্তিশালী সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়ও কোথায় কী আছে, সবই বের হয়ে এসেছে। সুতরাং আমার যদি কিছু থাকে, আপনারা বের করেন—আমি চ্যালেঞ্জ করছি। সরাসরি কথা বলেন।”

তিনি অভিযোগ করেন, যখনই তারা কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলেন বা কঠোর অবস্থান নেন, তখনই তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার জোরদার হয়। সামনে দুই-এক দিনের মধ্যেই আরও কিছু ‘চোরা নিউজ’ বা বাইরে থেকে সাপ্লাই দেওয়া সংবাদ প্রকাশ পেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপি নেতা জানান, এর আগেও তারা প্রমাণ পেয়েছেন যে পরিকল্পিতভাবে সাপ্লাই দেওয়া খবর তাদের দলের আহ্বায়ক ও তার বিরুদ্ধেও চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি। বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল এতটা কঠোর অবস্থান নিতে পারেনি।”

দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের বিষয়ে আমরা ইন প্রিন্সিপাল স্ট্রং অবস্থানে আছি এবং আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতা আদায়ের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার ফলে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তারাই অপপ্রচারে অর্থ ব্যয় করছেন। “১৭ হাজার কোটির মধ্যে এক কোটি টাকা আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা তাদের জন্য কঠিন কিছু নয়,”—বলেন তিনি।

নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছিলাম এবং তাদের জবাবদিহির জায়গায় আনছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন করলে যদি সেই জবাব কোনো রাজনৈতিক দল বা ছাত্র সংগঠনের লোকেরা দেয়, তাহলে বোঝা যায় নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচন কোন দিকে যেতে যাচ্ছে।”

তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক ইঙ্গিত বহন করে।