তিন–চার ঘণ্টায় কেন্দ্রভিত্তিক ফল, তবে ৩০০ আসনের চূড়ান্ত ফলে সময় লাগবে: ইসি

প্রবাসী ভোট ও পোস্টাল ব্যালট গণনায় বাড়তি সময়, ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের আশ্বাস

স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেলবিডি

ঢাকা:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা, সর্বোচ্চ চার ঘণ্টার মধ্যেই পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। তবে প্রায় ৩০০ আসনের ফলাফল একত্রে সংকলন করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানায়, প্রতিটি কেন্দ্র থেকে ফলাফল সময়মতো এলেও তা যাচাই-বাছাই, নিরাপত্তা সমন্বয় এবং কমান্ড স্ট্রাকচারের কারণে সার্বিক ফল ঘোষণায় বাড়তি সময় প্রয়োজন হতে পারে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, র‍্যাব ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি প্রায় ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার ভোটকেন্দ্রে পুলিশের বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।

Image

প্রবাসী ভোটের ক্ষেত্রে গণনায় সময় বেশি লাগতে পারে বলে জানিয়েছে ইসি। কারণ প্রবাসী ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালট পেপার এ-৪ সাইজের, দুই পাশজুড়ে ছাপানো এবং এতে প্রায় ১১৯টি প্রতীক চোখে স্ক্যান করে গণনা করতে হয়। ফলে ত্রুটিমুক্ত গণনা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত সময় লাগে। কত ভোট এসে পৌঁছাচ্ছে, তার ওপরই মূলত এই সময় নির্ভর করবে।

ইসি আরও জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গণনা একসঙ্গে (কনকারেন্টলি) করা হবে, যাতে ফলাফল নিয়ে বিভ্রান্তি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়। প্রতি ৪০০ ব্যালটের জন্য একজন করে পোলিং অফিসার নিয়োজিত থাকবেন। ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা ও সহায়তার জন্য প্রায় ১৬ হাজার বিএনসিসি সদস্য (পুরুষ ও নারী) মোতায়েন করা হবে।

Image
ছবি : সংগ্রহীত

দেশের ভেতরে পোস্টাল ভোট প্রসঙ্গে জানানো হয়, সরকারি কর্মচারী, নির্বাচন ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের জন্য ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ব্যালট বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে কোনো প্রবাসী ভোটার দেশে এসে দেশের অভ্যন্তর থেকে পোস্টাল ব্যালট পাঠালে তা গণনাযোগ্য হবে না। প্রবাসী ভোটের ক্ষেত্রে নির্ধারিত জিও-লোকেশন ট্র্যাকিং সম্পন্ন হয়ে এয়ারপোর্ট ও তেজগাঁওয়ের মেইল প্রসেসিং সেন্টার হয়ে ব্যালট আসতে হবে।

Image

আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অভিযোগ জানাতে হলে সংশ্লিষ্ট আসনের ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি, রিটার্নিং অফিসার অথবা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে হবে এবং কমিশনকে কপিতে রাখতে হবে। স্থানীয়ভাবে অভিযোগ করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয় বলেও জানানো হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ইসি জানায়, বর্তমানে প্রায় ৭৭ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

#জাতীয়_সংসদ_নির্বাচন, #নির্বাচন_কমিশন, #ভোটের_ফল, #প্রবাসী_ভোট ,#পোস্টাল_ব্যালট ,#নির্বাচনী_নিরাপত্তা, #নিউজচ্যানেলবিডি,