ইরান যুদ্ধের মধ্যে নিহত মার্কিন সেনাদের লাশ গ্রহণে ট্রাম্পের উপস্থিতি

ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬; যৌথ অভিযানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩—ডোভার ঘাঁটিতে দ্বিতীয়বার গেলেন ট্রাম্প



স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ মার্চ ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

ইরান যুদ্ধ চলাকালে জ্বালানি সরবরাহকারী একটি মার্কিন সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ছয় বিমান কর্মীর লাশ দেশে ফেরানো হয়েছে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের ডোভার এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে তাদের মরদেহ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সংঘাত শুরুর পর এটি দ্বিতীয়বার, যখন ট্রাম্প ওই ঘাঁটিতে গিয়ে নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সাধারণত বিদেশে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ এই ঘাঁটিতেই দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি কেসি-১৩৫ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রাণ হারান ছয় মার্কিন সেনা। এই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ অভিযানে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরেকটি বিমান নিরাপদে অবতরণ করে।

হোয়াইট হাউস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বার্তায় জানায়, “তাদের সাহস কখনও ভোলা যাবে না।” পরিবারের অনুরোধে লাশ গ্রহণের অনুষ্ঠানটি গণমাধ্যমের জন্য বন্ধ রাখা হয়।

হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কালো ওভারকোট পরা ট্রাম্প পরিবহন বিমানের পেছন দিক থেকে পতাকায় মোড়ানো কফিন নামানোর সময় স্যালুট জানান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ড্যান কেইন।

তবে অনুষ্ঠানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি।

এর আগে ৭ মার্চ প্রথম দফায় নিহত সেনাদের লাশ গ্রহণের সময়ও ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন। সেদিন কুয়েতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ড্রোন হামলায় নিহত ছয় সেনার মরদেহ দেশে ফেরানো হয়।

মার্কিন সেনাদের লাশ ‘সম্মানজনকভাবে গ্রহণ’ করা একজন প্রেসিডেন্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে প্রথম অনুষ্ঠানে ‘ইউএসএ’ লেখা সাদা বেসবল ক্যাপ পরায় ট্রাম্প সমালোচনার মুখে পড়েন। এমনকি কিছু রিপাবলিকান নেতাও এ বিষয়ে সমালোচনা করেন।