স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ মে ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের চামড়া শিল্পখাতের সার্বিক উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘ—উভয় মেয়াদে কার্যকর করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) নীতিগতসহ সব ধরনের সহায়তা দেবে।
আজ রোববার রাজধানীর মতিঝিলে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘চামড়া শিল্পখাতের উন্নয়নে সুপারিশ প্রদান ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্স’-এর নবম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় শেখ ফরিদুল ইসলাম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)–এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ টাস্কফোর্সের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার চামড়া শিল্পখাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং একটি চামড়াও যেন নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে আন্তরিক। পশু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
চামড়া সংরক্ষণের সুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, কোরবানির মৌসুমে কোনো চামড়া যাতে নষ্ট না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে চামড়া শিল্পকে লাভজনক খাতে রূপান্তরে কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানসম্মত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা জরুরি।
মন্ত্রী আরও জানান, কোরবানির ঈদে সংগৃহীত পশুর চামড়া এতিমখানাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। তাই চামড়া সঠিকভাবে ছাড়ানো, সংরক্ষণ ও মান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সভায় বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন–এর প্রতিনিধিরা চামড়া ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ দেওয়ার দাবি জানান। এ বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংক–কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
এ ছাড়া সাভারের ট্যানারি শিল্প এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং শিল্পনগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।





