শিশুরাই গড়বে আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে শিশুদের আত্মগঠন, পরিবেশ রক্ষা ও খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান

স্টাফ রিপোর্টার | ২৭ জুলাই ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজকের শিশুরা যদি নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত কিশোর-কিশোরীদের বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশ গঠনের কাজ করছে, তবে সেই কাজ সফল হবে তখনই, যখন আজকের শিশুরা আগামী দিনের উপযোগী নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে। তিনি শিশুদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আজকের শিশুদের ওপর নির্ভর করছে। তাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের সফল চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি, আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার, সাঁতারু ও টেনিস খেলোয়াড় তৈরি হবে, যারা দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেখানে-সেখানে ময়লা বা প্লাস্টিক না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে এবং অন্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে। নদী, পুকুর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, বেশি বেশি গাছ লাগালে পরিবেশ সুন্দর ও নির্মল হবে এবং মানুষ সুস্থভাবে বসবাস করতে পারবে।

তিনি পশুপাখির প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আশপাশের প্রাণীদের যত্ন নিতে হবে। অন্তত তাদের কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুরা পড়াশোনা, খেলাধুলা, গান কিংবা চিত্রাঙ্কন—যে ক্ষেত্রেই নিজেদের বিকশিত করতে চায়, সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানের শেষদিকে উপস্থিত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের এই আয়োজনই বাংলাদেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ। তাই সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে শিশুদের এই সাফল্য ও উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকাশ করার আহ্বান জানান তিনি।