স্টাফ রিপোর্টার | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা না করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ব্রিফিংকালে বাসসকে এ তথ্য জানান।
দুদকের কার্যক্রম ও চ্যালেঞ্জ অবহিত
সাক্ষাৎকালে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
দুর্নীতি দমনে কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
‘দুর্নীতি দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা’
রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অপশাসন, অনিয়ম ও জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন ও নিয়ন্ত্রণের ওপর জাতির অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। তাই দুদককে সততা ও সাহসের সঙ্গে দুর্নীতি দমনে কাজ করে যেতে হবে।
বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান
দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন বিপুলসংখ্যক মামলা আইনগতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে দুদকের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
গুরুতর দুর্নীতির ঘটনায় দ্রুত অনুসন্ধান করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।
দুদককে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
দুদকের প্রতিনিধিদলে যারা ছিলেন
দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎকারী প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং সচিব মো. সাইদুর রহমান খান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।





