হত্যা মামলার আসামি হয়েও সাবেক রাষ্ট্রপতির দেশত্যাগ: শুরু হয়েছে বিতর্ক গনঅধিকার পরিষদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি।

হত্যা মামলার আসামি হয়েও সাবেক রাষ্ট্রপতির দেশত্যাগ: শুরু হয়েছে বিতর্ক ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলি চালানোর ঘটনায় কিশোরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত…

Posted by:

on

হত্যা মামলার আসামি হয়েও সাবেক রাষ্ট্রপতির দেশত্যাগ: শুরু হয়েছে বিতর্ক

ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলি চালানোর ঘটনায় কিশোরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ১২৪ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি দায়ের হয় চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি।

এমন একটি মামলার আসামি হয়েও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সম্প্রতি দেশ ছেড়ে থাইল্যান্ডে গেছেন, যা নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে উঠেছে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ মে দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি ৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে দেশত্যাগ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন ছেলে রিয়াদ আহমেদ ও শ্যালক ড. এএম নওশাদ।

বিমানবন্দর সূত্র বলছে, আবদুল হামিদের দেশত্যাগে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল না। ‘চিকিৎসার প্রয়োজন’ দেখিয়ে তিনি দেশত্যাগ করেন এবং ইমিগ্রেশনে সব প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, একটি হত্যা মামলার তদন্ত চলাকালেই কীভাবে একজন আসামি, যিনি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে থেকেছেন, বিদেশে যাওয়ার অনুমতি পেলেন? এ ঘটনাকে অনেকেই ‘দ্বৈত ন্যায়বিচার’ ও ‘প্রশাসনের রাজনৈতিক পক্ষপাত’ হিসেবে দেখছেন।

এই ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়ার দাবিতে নানা রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের দেশত্যাগের প্রতিবাদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি

ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার অন্যতম আসামি সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ চিকিৎসার নামে থাইল্যান্ডে গমন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলাকালেই কোনো নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই দেশত্যাগ করায় গণঅধিকার পরিষদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের ব্যানারে আগামী বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫, বিকাল ৩টা, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে সচিবালয় অভিমুখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হবে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন:

মো. রাশেদ খাঁন, সাধারণ সম্পাদক, গণঅধিকার পরিষদ

মনজুর মোর্শেদ মামুন, সভাপতি, যুব অধিকার পরিষদ

অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ

আয়োজনে: বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ

আপনি কি এটি লিফলেট, ফেসবুক পোস্ট, প্রেস বিজ্ঞপ্তি, নাকি অন্য কোনো মাধ্যমে ব্যবহার করবেন? সেই অনুযায়ী আমি এটি আরও সাজাতে পারি।

হত্যা মামলার আসামি হয়েও সাবেক রাষ্ট্রপতির দেশত্যাগ: শুরু হয়েছে বিতর্ক

ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলি চালানোর ঘটনায় কিশোরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ১২৪ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি দায়ের হয় চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি।

এমন একটি মামলার আসামি হয়েও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সম্প্রতি দেশ ছেড়ে থাইল্যান্ডে গেছেন, যা নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে উঠেছে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ মে দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি ৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে দেশত্যাগ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন ছেলে রিয়াদ আহমেদ ও শ্যালক ড. এএম নওশাদ।

বিমানবন্দর সূত্র বলছে, আবদুল হামিদের দেশত্যাগে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল না। ‘চিকিৎসার প্রয়োজন’ দেখিয়ে তিনি দেশত্যাগ করেন এবং ইমিগ্রেশনে সব প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, একটি হত্যা মামলার তদন্ত চলাকালেই কীভাবে একজন আসামি, যিনি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে থেকেছেন, বিদেশে যাওয়ার অনুমতি পেলেন? এ ঘটনাকে অনেকেই ‘দ্বৈত ন্যায়বিচার’ ও ‘প্রশাসনের রাজনৈতিক পক্ষপাত’ হিসেবে দেখছেন।

এই ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়ার দাবিতে নানা রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করছে।