তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনা গণতন্ত্রকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যাবে: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

সুষ্ঠু নির্বাচন ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ

Posted by:

on

স্টাফ রিপোর্টার, ২০ নভেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
নিউজের মূল অংশ:
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুপস্থিতিতে দেশে যে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, যে জীবনগুলো ঝরে গেছে, এবং জনগণের ভোটাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে—এগুলোকে দেশের অপশাসন, নিপীড়ন ও নির্যাতনের দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে বিএনপি। দলের মতে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারই পারে আগামীর নির্বাচনগুলোকে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও দেয় প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্রের ভিত্তি।
বক্তারা বলেন, “নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের বাহল। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে গণতন্ত্রের যাত্রা সেখান থেকেই শুরু হয়।” যদিও সামনের নির্বাচন বর্তমান সিদ্ধান্তের আওতায় না আসতে পারে, তারপরও এটি একটি ইতিবাচক সিগনাল যে ভবিষ্যতে নির্বাচনগুলো জনগণের অংশগ্রহণে, ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
বর্তমান অনির্বাচিত সরকারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তারা বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া কোনো সরকার দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে পারে না। একটি নির্বাচিত সরকারের অনুপস্থিতিতে দেশ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তা বিগত দিনেও যেমন দেখা গেছে, বর্তমানে জনগণও তা স্পষ্টভাবে অনুভব করছে।
বিএনপি নেতৃত্ব আরো জানান, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো, কার্যক্রম—সবকিছুই বিধিবদ্ধ, এবং অতীতের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে যে এই ব্যবস্থার অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলো ছিল গ্রহণযোগ্য ও জনগণের রায়ের প্রতিফলন।
রাজনীতিতে ভিন্নমতের প্রতি সম্মান, সহনশীলতা ও নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারা বলেন,
“বিগত অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারলে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা সম্ভব নয়।”
বিএনপি নেতারা আরও মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নিজস্ব আদর্শে কাজ করতে হবে এবং জনগণই শেষ পর্যন্ত বিচার করবে কোন দল নীতি–নৈতিকতার মধ্যে থেকে রাজনীতি করছে, আর কে বাইরে যাচ্ছে।
তারা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ খুব নিবিড়ভাবে রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বদের পর্যবেক্ষণ করছে এবং তার ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেবে।
বিএনপি থেকে কেউ দলত্যাগ করলে বা ভিন্ন পথ বেছে নিলে সে ব্যক্তির দায় তার নিজের বলে মন্তব্য করে তারা বলেন,
“বিএনপি বিএনপি হিসেবেই থাকবে; কেউ বাইরে গেলে সে আর বিএনপি নয়, এবং তার দায় সে নিজেই বহন করবে।”