তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল: আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক রায়

আসন্ন নয়, তার পরের জাতীয় নির্বাচন থেকে কার্যকর হবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

Posted by:

on

স্টাফ রিপোর্টার, ২০ নভেম্বর ২০২৫, নিউজ চ্যানেল বিডি।
নিউজের মূল অংশ:
ঢাকা, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তবে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ ব্যবস্থা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নয়, পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে কার্যকর হবে।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ–এর নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার সর্বসম্মতভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের পূর্বের রায়টি অবৈধ ঘোষণা করেন। এর ফলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পুনর্বহাল হলো।
আপিল বেঞ্চের অন্যান্য বিচারপতি ছিলেন—মো. আশফাকুল ইসলাম, জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মো. রেজাউল হক, এস. এম. ইমদাদুল হক, এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান ও ফারাহ মাহবুব।
আজকের ঐতিহাসিক রায়ের পর আইনজীবীরা জানান, ত্রয়োদশ সংশোধনী আবারও সংবিধানসম্মত ও কার্যকর হলো।
বিএনপির পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
অন্যদিকে পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূইয়া এবং রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম. সলিম উল্লাহসহ তিন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।
২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে, যার পর জাতীয় সংসদে পাস হয় পঞ্চদশ সংশোধনী। এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার বিলোপ সরকারি ভাবে কার্যকর করা হয়।
পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের দাবিতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিক এবং আরও একজন রিভিউ আবেদন করেন।
গত ২৭ আগস্ট রিভিউ আবেদন থেকে আপিল শুনানির সুযোগ (লিভ) মঞ্জুর করে ২১ অক্টোবর থেকে শুনানি শুরু হয়। টানা ১০ দিনের শুনানি শেষে ঘোষিত হলো আজকের এই গুরু