পঞ্চম দিনে ১০০ আপিল শুনানি, ৭৩টি মঞ্জুর

পাঁচ দিনে মোট ৩৮০ আপিল শুনানি, ১৮ তারিখ পর্যন্ত চলবে কার্যক্রম

ছবি: সংগ্রহীত

স্টাফ রিপোর্টার | তারিখ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

আজ পঞ্চম দিনের মতো আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরেছে। কমিশন জানায়, আজকের কার্যসূচিতে মোট ১০০টি আপিল গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ৭৩টি আপিল মঞ্জুর করা হয়েছে, ১৭টি আপিল খারিজ হয়েছে এবং বিভিন্ন কারণে ১০টি আপিল শুনানি ডেফার করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে নেওয়া হবে।

কমিশনের তথ্যমতে, পাঁচ দিনে মোট ৩৮০টি আপিল শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ২৭৭টি আপিল মঞ্জুর, ৮১টি আপিল খারিজ এবং ২৩টি আপিল ডেফার করা হয়েছে। মোট আপিল দায়ের করা হয়েছিল ৬৪৫টি। আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি কার্যক্রম চলবে।

আজ মঞ্জুর হওয়া ৭৩টি আপিল প্রসঙ্গে কমিশন জানায়, সব ক্ষেত্রে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি প্রযোজ্য নয়। অধিকাংশ আপিল ছিল বৈধ ঘোষিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে করা। যেসব ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন, সেই মনোনয়নের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ হওয়ায় মনোনয়ন বহাল রয়েছে। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার মতো মাত্র দুটি কেস ছিল।

ব্যালট পেপারে প্রতীক বিন্যাস নিয়ে রাজনৈতিক দলের অভিযোগের বিষয়ে কমিশন জানায়, ব্যালট ছাপানো হয়েছে গেজেটের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী। এ বিষয়ে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

Image

ঋণ খেলাপি প্রার্থীদের মনোনয়ন সংক্রান্ত প্রশ্নে কমিশন জানায়, যেসব প্রার্থীকে রিটার্নিং অফিসার বৈধ ঘোষণা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধেই আপিল হয়েছিল এবং আইন অনুযায়ী শুনানি ও সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বাহরাইনে পোস্টাল ব্যালট বিতরণ নিয়ে আলোচিত ঘটনার ব্যাখ্যায় কমিশন জানায়, ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে। বাহরাইনে একটি নির্দিষ্ট ডেলিভারি পয়েন্টে ১৬০টি ব্যালট রাখা হয়েছিল, যেখান থেকে প্রবাসীরা তা সংগ্রহ করেন। এ ঘটনায় কোনো ব্যালটের খাম খোলা হয়নি বলে কমিশন দাবি করে। বিষয়টি তদন্তে বাহরাইন পোস্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তারা সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে।

গণভোটের প্রচারণা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কমিশন জানায়, প্রচারণা সংক্রান্ত বিষয় আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারভুক্ত। ভোটকেন্দ্র ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে কমিশন জানায়, মাঠপর্যায়ের চূড়ান্ত হিসাব নির্ধারণের পরই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হবে।