স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ জুন ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, হজ পালনের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের জন্য একটি সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন-এর টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হজ একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা, যা সৌদি আরব সরকার এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। হজ ব্যবস্থাপনার ব্যয় মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। এর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ব্যয় সৌদি আরব অংশে নির্ধারিত হয়, যার মধ্যে মিনা ও আরাফাতের তাঁবু ভাড়া, পরিবহন, বিভিন্ন সেবা ব্যয়, মক্কা ও মদিনার আবাসন, কোরবানি এবং ভিসা ও বিমা ফি অন্তর্ভুক্ত থাকে।
তিনি বলেন, অবশিষ্ট প্রায় এক-চতুর্থাংশ ব্যয় বাংলাদেশ অংশে হয়, যার বড় অংশ বিমান ভাড়ার জন্য ব্যয় করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি বছর কোরবানিসহ সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা। এর মধ্যে সৌদি আরব অংশের ব্যয় ছিল ৩ লাখ ৭৯৭ টাকা এবং বাংলাদেশ অংশের ব্যয় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৯ টাকা। বাংলাদেশ অংশের ব্যয়ের মধ্যে বিমান ভাড়া ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা।
তিনি আরও জানান, গত বছর সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। সে হিসেবে চলতি বছর হজযাত্রীদের জন্য প্যাকেজ মূল্য ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং সৌদি অংশের নির্ধারিত ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে আগামী বছর সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য হজ প্যাকেজের মূল্য আরও কমানো অথবা যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে।





