ক্লাব দে মাদ্রিদের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস

স্লোভেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দানিলো তুর্কের সঙ্গে বৈঠকে গণতান্ত্রিক রূপান্তর, জুলাই গণআন্দোলন ও অন্তর্বর্তী সরকারের অভিজ্ঞতা শেয়ার নিয়ে আলোচনা

ছবি প্রধান উপদেষ্টার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

নিউইয়র্ক, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ — ক্লাব দে মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ও স্লোভেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দানিলো তুর্ক বুধবার নিউইয়র্কে হোটেলে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাৎকালে দানিলো তুর্ক প্রফেসর ইউনূসকে সংগঠনের সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানান। ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে প্রফেসর ইউনূসের পথিকৃৎ ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এর প্রভাব আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, “আমাদের আয়োজিত কর্মসূচিগুলোতে আপনাকে পেলে আমরা সম্মানিত হবো। বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক রূপান্তর নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।”

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক জুলাই গণআন্দোলন প্রসঙ্গে দানিলো তুর্ক বলেন, এই আন্দোলন বিশ্বকে বিস্মিত করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমন রূপান্তরের অভিজ্ঞতা বৈশ্বিক নেতাদের জানা ও বোঝা খুবই জরুরি।

তুর্ক আরও জানান, প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের গণতান্ত্রিক চর্চা প্রসারের উদ্যোগকে তিনি সমর্থন করেন।

আমন্ত্রণ গ্রহণ করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক সংস্কারের অভিজ্ঞতা তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে আগ্রহী।
“আমরা এখনো যেন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে পথ খুঁজছি, কীভাবে দেশকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দিকে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নির্ধারণ করছি। আমাদের লক্ষ্য এ পথেই দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়া,” মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ক্লাব দে মাদ্রিদ হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফোরাম, যেখানে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীগণ যুক্ত আছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও বৈশ্বিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সংগঠনটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক অনুশীলন শক্তিশালী করা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করে।

সাক্ষাৎকালে এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোরশেদও উপস্থিত ছিলেন।