স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ নভেম্বর ২০২৫ | নিউজ চ্যানেল বিডি
আমারদেশ সম্পাদক জনাব মাহমুদুর রহমান আজ এক অনুষ্ঠানে বলেন, অনেকেই প্রশ্ন তোলেন— ‘আপা কি আবার ফিরে আসবেন?’ তিনি জবাবে বলেন, “ওসব ভুলে যান। আপা অতীত, আপা আর ফিরবেও না। এই অধ্যায় শেষ— চ্যাপ্টার ইজ ক্লোজড।” তবে এটিকে চূড়ান্তভাবে বন্ধ করতে হলে প্রয়োজন একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।
তিনি আরও বলেন, “যদি আমরা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে পারি, তাহলে শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টদের বাংলাদেশে কবর রচনা হয়ে যাবে। তিন মাসের মধ্যেই দেশে একটি নির্বাচন হবে— আমরা সেই আশাই করছি।”
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান যে, তারা যেন নির্বাচনে কোনো কারচুতি না করার অঙ্গীকার জাতির সামনে উপস্থাপন করেন। তার ভাষায়, “কারচুতি শুধু সরকারই করে না, দলগুলোও করে— এটাই বাস্তবতা। তাই সব দলকে ঘোষণা দিতে হবে যে তারা ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন করবে এবং ফলাফল মেনে নেবে।”
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনই বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ফিরিয়ে নিতে পারে।
দিল্লির কথিত ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দিল্লি চাইবে না বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক। শেখ হাসিনা দিল্লির সহায়তায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লুণ্ঠন করেছিলেন। আমাদের আনাসরা সেই সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে দিয়েছে— রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব এটি রক্ষা করা।”
জুলাইয়ের আন্দোলন সম্পর্কে তিনি বলেন, “জুলাই শুধু অভ্যুত্থান ছিল না, জুলাই ছিল বিপ্লব। আনাস জীবন দিয়েছেন নতুন বন্দোবস্তের জন্য। এই বিপ্লবকে আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠদের মেনে নেয়া উচিত।” তিনি সমালোচনা করে বলেন, জুলাই-পরবর্তী সরকার এটিকে বিপ্লব হিসেবে বিবেচনা করেনি, যার ফলে অনেক জটিলতা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “বিপ্লবী ম্যান্ডেট থাকলে একটি সরকার ফ্যাসিবাদের সব চিহ্ন দূর করতে পারে। কিন্তু তারা সেটা পারেনি কারণ তারা বিপ্লব বুঝতে পারেনি।”
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “জুলাই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকেই পলিটিক্যাল পাওয়ারের অংশ। আমরা যদি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধারণ করতে পারি, তাহলে সাংস্কৃতিক যুদ্ধেও জয়লাভ করবো— রাজনৈতিক যুদ্ধেও জিতবো।”
তিনি আরও কঠোর ভাষায় বলেন, “যারা ভারতের দালালি করবে, যে দলই করুক— তরুণরা যেন জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে আবার বিপ্লবের ডাক দেওয়া হবে।”





