জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর বক্তব্যে কূটনীতিকদের ওয়াকআউট

নিউইয়র্ক, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫:জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে উঠেছিলেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু তিনি পোডিয়ামে দাঁড়ানোর পরই…

Posted by:

on

নিউইয়র্ক, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫:
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে উঠেছিলেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু তিনি পোডিয়ামে দাঁড়ানোর পরই কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান বিশ্বের কয়েকশ কূটনীতিক।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, শুধুমাত্র আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতিনিধিরাই নয়, আফ্রিকা ও ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরাও ওয়াকআউটে অংশ নেন। ওয়াকআউট থেকে নজর সরাতে নেতানিয়াহুর সমর্থকরা কক্ষে জোরে তালি দেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী ও নিউইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক অ্যাডামসও উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যে নেতানিয়াহু ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক ১২ দিনের যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদসহ বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেন। তিনি কোটে একটি পিন সাঁটেন, যেখানে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে উপস্থিতদের হামাসের ভিডিও দেখতে আহ্বান জানান।

নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইতিহাসের অন্যতম বড় সামরিক সফলতা অর্জন করেছে। তবে গাজায় এখনো হামাসের যোদ্ধারা রয়ে গেছে, যাদের নির্মূল করতে সময় লাগবে। তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্ববাসী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাস হামলার ঘটনা ভুলে গেছে, কিন্তু ইসরায়েলিরা তা কখনো ভুলবে না।

বক্তব্যের আগে গাজা সীমান্তে লাউডস্পিকার বসায় ইসরায়েলি সেনারা, যাতে গাজার মানুষ বক্তব্য শুনতে পারে। নেতানিয়াহু দাবি করেন, গাজাবাসীর মোবাইল ফোনেও তাঁর বক্তব্য সম্প্রচারিত হয়েছে। তিনি বলেন, জিম্মিদের সবাইকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত তিনি থামবেন না।

হামাসকে উদ্দেশ করে নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি তারা অস্ত্র ফেলে দিয়ে জিম্মিদের মুক্তি দেয়, তাহলে যুদ্ধ এখনই শেষ হয়ে যাবে। যুদ্ধ শেষে গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ করা হবে এবং নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ নেবে ইসরায়েল। এরপর সেখানে ইসরায়েলের সঙ্গে কাজ করতে সক্ষম একটি বেসামরিক সরকার গঠন করা হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল