স্টাফ রিপোর্টার | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি
জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে যে সকলের জন্য সমতল মাঠ তৈরিতে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে সেই চ্যালেঞ্জ এবং স্পেসিফিক এরিয়া অফ কনসার্ন নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের সাথে সমন্বয় করার পরই জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে। সমস্যা সমাধান না হলে জনগণকে অবশ্যই জানানো হবে।
আগামী সরকার গঠনের পর দেশের সম্পর্ক আন্তর্জাতিক ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে কেমন হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দলটি বলেছে যে বিশ্বের শান্তিপ্রিয়, সভ্য এবং গণতান্ত্রিক সব রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে। প্রতিবেশীদের সাথে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখা হবে।
ফরেন পলিসি বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের প্রতি ঝুঁকবেন না, বরং সারা বিশ্বের সঙ্গে সমন্বয় ও বন্ধুত্ব বজায় রেখে দেশ এগিয়ে নেয়া হবে।
দলীয় নীতি অনুযায়ী সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে সম্মান দেখানো হবে, রাজনৈতিক কারণে কাউকে অপমান করার অধিকার নেই। ভোট প্রক্রিয়ায় নারীর এবং পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত থাকবে। মিউচুয়াল রেসপেক্ট বজায় রেখে জনগণ স্বতন্ত্রভাবে সিদ্ধান্ত নেবে।
জামায়াতে ইসলামী জনগণের ওপর ১০০% আস্থা রাখে। সুস্থ, নির্বিঘ্ন ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পর ভোটের ফলাফল প্রতিফলিত হওয়া নিশ্চিত করা হবে। যদি দল নির্বাচনে বিজয়ী হয়, তারা জনগণ এবং আল্লাহর প্রতি দায়িত্ব সচেতনভাবে পালন করবে। অন্যদিকে, জনগণ যদি অন্য কাউকে নির্বাচিত করে, দলের অঙ্গীকার থাকবে দেশের কল্যাণে গৃহীত সিদ্ধান্ত সমর্থন ও সহযোগিতা করা।





