স্টাফ রিপোর্টার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি।
ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানান হয়, তাদের নির্বাচনী ফোরামের জরিপ অনুযায়ী তারা ১০০ থেকে ১৩০টি আসনের দাবি রাখে এবং একটি ‘সম্মানজনক’ সংখ্যক আসন প্রত্যাশা করছে।
অন্যদিকে, -বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দূরত্ব তৈরির খবর অস্বীকার করা হয়েছে। ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক জামাত নেতা হামিদুর রহমান বলেন বলেন,
“দলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আসনের মধ্যে সমন্বয় করতে আমাদের বারবার কাজ করতে হচ্ছে। এটি কোনো অসন্তোষ নয়; বরং প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে সামঞ্জস্য আনার একটি প্রক্রিয়া মাত্র। শিগগিরই সমন্বিত তালিকা প্রকাশ করা হবে।”
সূত্রমতে, জামায়াতে ইসলামী মোট ৩০০ আসনের মধ্যে ১৮০ থেকে ১৯০টি আসন নিজেদের জন্য রাখতে চায় এবং বাকি আসনগুলো অন্য শরিকদের ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির নেতারা মনে করছেন, তৃণমূল পর্যায়ের সাংগঠনিক শক্তি ও সাম্প্রতিক জনসমর্থনের ভিত্তিতে তাদের আরও বেশি আসন পাওয়া উচিত।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দলও এই জোটের আসন সমঝোতার অগ্রগতির দিকে কড়া নজর রাখছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে সমঝোতা প্রক্রিয়া আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সব মিলিয়ে, শরিকদের মান–অভিমান ও দাবিদাওয়ার টানাপোড়েন ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত ১১ দলীয় জোট একক প্রার্থী তালিকা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামতে পারবে কি না—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল ও আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।





