স্টাফ রিপোর্টার ২২ জানুয়ারি ২০২৬ নিউজ চ্যানেল বিডি
ঢাকা ১৫ আসনের জনসভায় ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন রাশেদ প্রধান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে জনগণ ভোট দেবে এমপি নির্বাচনের জন্য, কিন্তু ঢাকা ১৫ আসনের ভোট হবে দেশের আগামী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ভোট। তাই এই আসনের ভোটারদের দায়িত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং নারী নেতাকর্মীরাও হামলার শিকার হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ঢাকা ১৫ আসনের জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাথা উঁচু করে এর জবাব দিতে হবে ভোটের মাধ্যমে আগামী ১২ তারিখে।
রাশেদ প্রধান বলেন, তারা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। তবে কেউ যদি অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়, তাহলে প্রয়োজনে শহীদ হতে হলেও প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। নতুন বাংলাদেশে কোনো নতুন জালেম বা স্বৈরাচারের জায়গা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি আরও বলেন, একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল নতুন করে প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করছে যারা ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। জনগণকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, যারা পাথর ছুঁড়ে মানুষ হত্যা করে, চাঁদাবাজি করে কিংবা নতুন স্বৈরাচার কায়েম করতে চায়, তাদের জন্য ভোট নয়।
ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের পক্ষে গণভোটে ‘হা’ জয়ের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থে তিনি নিজে একটি আসনে নির্বাচন না করে সারা দেশের ৩০০ আসনে প্রচারণা চালাবেন। এই প্রচারণা শুরু হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সমাবেশের মাধ্যমে।
রাশেদ প্রধান বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশই আগামীর বাংলাদেশ। নতুন ফ্যাসিবাদ বা আধিপত্যবাদ নয়, জনগণ চায় একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধেও অবস্থান স্পষ্ট করেন।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, “এটা বিজয়ের পথে যাত্রা। জীবন অথবা মৃত্যু—এই লড়াইয়ে আমরা পিছপা হব না।” তিনি সারাদেশ সফরের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের পক্ষে গণজাগরণ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।





