দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশব্যাপী একযোগে ৫৩টি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন; কাহারোলের বলরামপুরে সমাবেশে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ মার্চ ২০২৬ | নিউজ চ্যানেল বিডি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এ কর্মসূচির আওতায় একযোগে দেশের ৫৩টি খাল পুনঃখনন কাজ শুরু হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী আজ সকালে বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সোমবার সকালে রাজধানী থেকে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে সড়কপথে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় যাবেন।

প্রধানমন্ত্রী সেখানে প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল পুনঃখননের মাধ্যমে দেশব্যাপী ৫৩টি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। পরে তিনি সেখানে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।

নীলফামারীর সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকার জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে যাবেন। সেখানে তিনি তাঁর নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হক (চকলেট)সহ নিকট আত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন। পরে স্থানীয় সুধীজন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেবেন।

বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে খনন করা অনেক খাল বর্তমানে ভরাট হয়ে গেছে। এসব খাল পুনঃখননের মাধ্যমে সেচব্যবস্থা উন্নয়ন, মাছ চাষ, হাঁস পালনসহ খালনির্ভর অর্থনীতি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

গত শুক্রবার সাহাপাড়া-বলরামপুর খাল পরিদর্শন শেষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল পুনঃখননের ফলে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। এতে অতিরিক্ত বন্যা থেকে সুরক্ষা মিলবে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে।

তিনি জানান, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)-এর সমন্বয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। খাল খননের পাশাপাশি খালের পাড় রক্ষা, বাঁধ নির্মাণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও নেওয়া হবে। পাশাপাশি খালের পানি বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।