স্টাফ রিপোর্টার ৮ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নিউজ চ্যানেল বিডি
নারী নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের গুরুত্বের উপর আলোকপাত করে জাইমা রহমান বলেন, “যদি নারীরা পলিসি তৈরি প্রক্রিয়ায় না থাকে, তবে পুরো বিষয়টি আমরা ঠিকভাবে বুঝতে পারব না।”
তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পথে নারীদের জন্য স্ট্রাকচারাল এবং সিস্টেমেটিক ব্যারিয়ার রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ডে কেয়ার সেন্টারের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, প্রশিক্ষিত কর্মী, শিফট সাপোর্ট এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা না হলে নারীরা কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবেন না।
“নারীদের জন্য পাইপলাইন তৈরি করতে হবে, ধরে রাখতে হবে। মেন্টরশিপ ও ট্রেনিং প্রোগ্রাম ছাড়া তারা সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবে না।”
তিনি ফাইনান্সিংয়ের দিকেও গুরুত্ব দেন। রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমান সুযোগ, অর্থায়ন এবং প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
“যদি ফাইনান্সিং এবং সুযোগ সুবিধা সঠিকভাবে দেওয়া হয়, নারীরা রাজনৈতিক অংশগ্রহণে আরও এগিয়ে আসবে।”
নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের বিষয়েও তিনি বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে কোড অফ কন্ডাক্ট মেনে নারীদের সাইবার ও ফিজিক্যাল সেফটি নিশ্চিত করতে হবে।
“নারী নেত্রী, স্টুডেন্ট লিডার বা তরুণ নেত্রীকে আমরা পাশে রাখব, নিরাপত্তা নিশ্চিত করব, ছেড়ে দেব না।”
জাইমা রহমান আরও বলেন, এটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের বিষয়। একবার নয়, বারবার চেষ্টা ও ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে, যাতে নারীরা রাজনৈতিক নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন।
“যদি রাজনৈতিক দল, ওপেন সোসাইটি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও ছাত্ররা একসাথে কাজ করে, আমরা সুন্দর একটি দেশ গড়ে তুলতে পারব।”





