নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার সফরে বিতর্ক: শোয়েব আব্দুল্লাহর প্রটোকল দায়িত্ব ও রাজনৈতিক বিভাজন নিয়ে প্রশ্ন

নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ শোয়েব আব্দুল্লাহর ভূমিকা এবং বিএনপি-জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিভাজনের ইঙ্গিত দেখাচ্ছেন

Posted by:

on

নিউইয়র্ক, ২৪-২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ — সম্প্রতি নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার সফরে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। নেপাল বাংলাদেশ দূতাবাসের ডেপুটি চিফ শোয়েব আব্দুল্লাহকে এই সফরে প্রটোকল ও কো-অর্ডিনেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

শোয়েব আব্দুল্লাহ, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন, অতীতে নানা শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে বিতর্কিত ছিলেন। নিউইয়র্কে সফরের সময় তার উপস্থিতি এবং বিএনপি-জামায়াত নেতাদের ৪ নম্বর টার্মিনাল থেকে বের করার প্রক্রিয়ায় তার অবদান ব্যাপকভাবে নজর কাড়ে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত ও রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত ঘটনা ছিল।

টার্মিনাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাদেরকে জানানো হয়নি, যেখানে শোয়েব এবং আরও দুইজন কর্মকর্তা দ্রুত স্থানীয় আওয়ামী লীগের পরিচিত মাস্তানদের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদেরকে নিরাপদভাবে বের করার ব্যবস্থা করেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক বিভাজন তৈরির উদ্দেশ্য বা পূর্বপরিকল্পনার ইঙ্গিত স্পষ্ট।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিভাজন তৈরির জন্য জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও নাগরিক সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর মধ্যে একটি “ফর্মুলা” কার্যকর করা হয়েছে। বিভিন্ন দলের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত ব্যবধান সৃষ্টি করা এই পরিকল্পনার অংশ।

অন্যদিকে, ভারতের একটি দৈনিক পত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্পর্কিত সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “এই ধরনের খবর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই।”

উল্লেখ্য, নিউইয়র্কে এই সফরে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শোয়েবের নেতৃত্বে দূতাবাসের প্রটোকল কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় উদ্দেশ্য প্রণোদিত কার্যক্রম ব্যাপকভাবে স্পষ্ট হয়েছে